নীলফামারী :
পৌষের তীব্র শীত উপক্ষো করে কৃষকেরা ব্যাস্ত হয়ে পরেছে, বোরো ধান চাষে। কেউ জমি প্রস্তুতে ব্যস্ত, কেউবা চারা উত্তোলনে আবার কেউবা জমিতে চারা রোপণে কাজ করছেন । তবে তেলের দাম বাড়ায়, বোরো চাষে খরচ বেড়েছে কৃষকের, দুশ্চন্তিায় রয়েছে তারা।
কৃষকদরে সাথে কথা বলে জানা যায়, আমন ধান ঘরে তোলা সম্পন্ন করে আগাম বোরো ধানের চারা জমিতে রোপণ করেছেন তারা।পাশাপাশি বীজতলা ও জমিও তৈরী করেছেন। কিন্তু ডিজেলের দাম বাড়ায় বেশির ভাগ কৃষক পড়েছে বিপাকে। গত বছররে তুলনায় এবছর পানি সেচে হাল চাষ ,সার-বীজ ও কীটনাশক বিঘা প্রতি খরচ ১১শত থেকে ১২শ টাকা।
ডিজেল ও বীজের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চন্তিায় পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকেরা তবে কৃষি বিভাগ বলছেন, কৃষকদের সমস্যায় সরকার ভর্তুকি দিচ্ছেন।
নীলফামারী জেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে জেলার ছয় উপজেলায় ৮১হাজার৫৫০হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। তারমধ্য সদরে ২৩ হাজার ৬৮০ হেক্টর এবং ডিমলায় ১১হাজার ১৮৫ হেক্টর। এ বছর নীলফামারীর ৬ উপজেলায় হাইব্রিড ১৮ হাজার এবং উফসি ৯হাজার মোট ২৭ হাজার কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে সদরে ৭হাজার ৬ শত কৃষক এবং ডিমলায় ৪হাজার ৩শত কৃষক। চাষীরা এরই মধ্যে আবাদ শুরু করেছেন। এখন অবধি জেলায় ৩৪ হেক্টর জমিতে বোরোধান রোপন হয়েছে।
ডিমলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের কৃষক আব্দুন নূর জানান, দীর্ঘদিন ধরে বোরো ধানের আবাদ করে আসছেন তিনি এ বছরও তিন একর জমিতে বোরো ধান চাষ করছেন। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় সাড়ে নয় হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভাল হলে প্রায় ২০/২২ মন হারে পাওয়া যায়।
নীলফামারীর চোড়াই খোলা ইউনিয়নের সিপাহ পাড়ার কৃষক মোঃ সফিকুল বলেন, গতবারের তুলনায় এবারে সবকিছুতেই খরচ বেশি, এবার যে ভাগ্যে কি হয়।
জেলা কৃষি উপ পরিচালক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, বোরো ধান চাষ করার জন্য আমরা কৃষকদের প্রণোদনা ও উৎসাহ দিচ্ছি এই জেলায় গতবারের তুলনায় বোরো চাষ বেড়েছে ।গত বছরের তুলনায় খরচ বাড়লেও তেমন কোনো সমস্যা হবেনা,এবং ভালো ফসলের আশা করছি।