1. almoazzintv@gmail.com : Moniruzzaman Monnu : Moniruzzaman Monnu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন

গড়াই নদীর ভাঙ্গণে হুমকির মুখে কামারখালী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রাম

মো. সহিদুল ইসলাম
  • Update Time : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৯৪ Time View
202

কামারখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গড়াই নদীর অবিরাম ভাঙ্গণে হুমকির মুখে পড়েছে কামারখালী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের প্রায় ৩০টি অসহায় পরিবার। নদীগর্ভে সবকিছু হারিয়ে অনেকেই এখন নিঃস্ব। সাধারণত বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গণের তীব্রতা দেখা দিলেও এবার গ্রীস্মের শেষে শীত মৌসুমের আগমনের আগেই প্রায় পোনে ১ কি. মি. এলাকা জুড়ে তীব্র ভাঙ্গণের ভয়াল রুপ দেখা দিয়েছে। এই ইউনিয়নের গড়াই নদীর ফুলবাড়ী পাড়ে বসবাসরত মানুষের দিন কাটছে প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব এলাকায় ভাঙন রোধে সরকারি কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন এই ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামের মানুষদের বসতভিটা। দীর্ঘদিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সংস্কার না হওয়ায় ফাটল ধরে তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়াও হুমকিতে পড়েছে এসব এলাকার অনেক ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন ফসলি জমি। দুই যুগ ধরে একে একে গড়াই নদী ভাঙ্গণের কবলে পড়ে বদলে গেছে উপজেলার এই ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের বড় একটি অংশের চিত্র। যাদের সামর্থ আছে তারা ভিটে বাড়ি, জমিজমা সহায়-সম্বল হারিয়ে কেউ আশ্রয় নিয়েছেন অন্যত্র আর যাদের সামর্থ নাই তারা নদীর সাথে সংগ্রাম করে বসবাস করছে কিন্ত বর্তমানে ভাঙ্গনে সংগ্রাম করে থাকার কোন জমি নাই সব চলে যাচ্ছে নদীতে। নদীর কুলে বসবাস কারী কামারখালী ইউনিয়নের সাবেক মহিলা সদস্য ফুলবাড়ী গ্রামের নুরুন্নাহার বেগম বলেন, গড়াই নদীর তীব্র ভাঙণে এলাকার অনেক বাড়িসহ ফসলি জমি যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হতে পারে। আমরা খুবই আতংকের মধ্যে আছি। অতি সত্বর নদী ভাঙ্গন রুখতে না পারলে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে এই গ্রামের ঘরসহ ভিটে-মাটি এবং চাষাবাদের জমির বিস্তীর্ন এলাকা। সহায় সম্বল হারানো ফুলবাড়ী নার্গিস বেগম বলেন, নদীগর্ভে সবকিছু হারিয়ে এখন অনেকটাই নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমার পরিবারের সবাই চলে গেলে ও আমি স্বামীর ভিটা আকড়ে ধরে আছি। বর্তমানে খুব কষ্টে দিন পার করছি। আমার পরিবারের অন্য সদস্যরা অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাকিব হোসেন চৌধুরী নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং তিনি বলেন উপজেলা প্রশাসনকে অবশ্যই নদী ভাঙ্গন ও আমার ইউনিয়নের মানুষের সমস্যার কথা জানাবো। কামারখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান বিশ্বাস বাবু বলেন ফুলবাড়ী রজবের বাড়ী থেকে মৃতঃ ছরোয়ার মোল্যার বাড়ী পর্যন্ত প্রায় পোনে ১ কিলোমিটার বাধ অতি জরুরী এ ছাড়া অনেক লোকের বাড়ী অস্তিত্ব বিলীন হয়ে নদীতে মিশে গেছে। বর্তমান অনেক বসত ভিটাসহ ঝুঁকিতে রয়েছে ফুলবাড়ী গ্রামের মানুষের কৃষি জমি ও ঘরগুলো। অতি দ্রæত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিকুর রহমান চৌধুরী এর অবগত করা দরকার বলে মনে করি। ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (বোয়ালমারী পওর উপ-বিভাগ) সন্তোষ কর্মকার এর সাথে কথা বলে জানা যায়। তিনি বলেন একনেকের মাধ্যমে নদীভাঙ্গন বাধের স্থায়ী কাজ হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category