গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি
পূর্ণিমা ও সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে বরিশাল বিভাগের ৯টি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে বিভাগের নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। একই সঙ্গে রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনভর মুষলধারে বৃষ্টিপাতে জনজীবন অতিষ্ঠ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বরিশাল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপদসীমার দুই সেন্টমিটার উপরে, ঝালকাঠীর বিষখালী নদীর পানি দুই সেন্টিমিটার, ভোলার তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপদসীমার দুই সেন্টিমিটার, দৌলতখানের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিনের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া পটুয়াখালীর পায়রা নদীর পানি বিপদসীমার ৯ সেন্টমিটার, বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বিষখালী নদীর পানি বিপদসীমার ৫৩ সেন্টমিটার, পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর পানি বিপদসীমার সাত সেন্টমিটার ও উমেদপুরের কচানদীর পানি বিপদসীমার ১২ সেন্টমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বরিশাল বিভাগীয় আবহাওয়া অফিসের উচ্চপর্যবেক্ষক মাজহারুল ইসলাম জানান, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওড়িশা অঞ্চলে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে বরিশালের নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর ও বরিশাল নদীবন্দরে ১ নম্বর স্থানীয় সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।