1. almoazzintv@gmail.com : Moniruzzaman Monnu : Moniruzzaman Monnu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

বড় ভাই না বলায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি, স্কুলের জানালার গ্লাস ভাংচুর

তৈয়বুর রহমান কিশোর
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪৫৪ Time View
193
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বদী ইউনিয়নের জয়পাশা সৈয়দ ফজলুল হক একাডেমীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড় ভাই না বলাকে কেন্দ্র করে মারামারি সংঘঠিত হয়েছে।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিয়াবুল (১৪) সহ তার বন্ধুদের একই স্কুলের ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সোহেল বড় ভাই না বলায় স্কুলের ভেতরে দুই শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়। এ সময় ৮শ্রেণীর শিক্ষার্থী আবুল হাসানকে চরম ভাবে মারধর করা হয়। বিষয়টি স্কুলের শিক্ষকরা তাৎক্ষনিক শিক্ষার্থীদের মিমাংসা করে দেন। আবুল হাসানের বাড়ি মালিখালী।
পরে দুপুর ১২ টার দিকে মালিখালী ও জয়পাশা দুই গ্রামে মারামারির খবর পৌছালে দুই গ্রামের লোকজন লাঠিসোঠা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্কুল মাঠে উপস্থিত হয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। এ সময় মালিখালী গ্রামের ইকবালকে (১৫) মারধর করে।
পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে পরিবেশ শান্ত করেন।
সাবেক মেম্বার মালিখালী গ্রামের বাসিন্দা সোলায়মান মোল্যা বলেন, যে সকল শিক্ষার্থীরা মারামারি করেন। তাদের বাড়ি মালিখালি ও জয়পাশা। তাই মারামারির খবর পেয়ে দুই গ্রামের মানুষ স্কুল মাঠে গিয়ে মারামারিতে লিপ্ত হয়। মালিখালীর দুইটি ছেলেকে বেধম মারপিট করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিভাষ চন্দ্র অধিকারী বলেন, ৮ম শ্রেণীর ছাত্র সোহেল ৯ম শ্রেণীর ছাত্র শিয়াবুলসহ তার বন্ধুদের বড় ভাই না বলে এই বা নাম ধরে ডাকাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে মারামারি হয়। শিক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনা শিক্ষকরা মিমাংসা করে দেন। দুপুর ১২ টার পরে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা খবর পেয়ে লাঠিসোঠা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্কুল মাঠে জড়ো হয়ে দুই গ্রামের লোকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। লোক আসা দেখে স্কুলের গেটে তালা দিয়ে গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। যার কারনে বহিরাগতরা স্কুলের ভেতরে ঢুকতে না পেরে বাহির থেকে ইটপাটকেল মেরে স্কুলের জানালার গ্লাস ভাংচুর করে। পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ আসে। তিনি আরো বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মিমাংসার জন্য সালিশ বৈঠকের তারিখ দেওয়া হয়েছে।
ডহরনগর ময়না তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আজাদ হোসেন বলেন, মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ শান্ত করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, স্কুলে মারামারির খবর আমার জানা নেই। প্রধান শিক্ষক বা কোন শিক্ষক আমাকে জানাই নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category