সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককের আত্নীয় হওয়ায় বলাৎকার দপ্তরি বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কমিটি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে বলাৎকারের কিরুদ্ধে তিন সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন
তৈয়বুর রহমান কিশোর
Update Time :
বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২২
৪৪৮
Time View
সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককের আত্নীয় হওয়ায় বলাৎকার দপ্তরি বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কমিটি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে বলাৎকারের কিরুদ্ধে তিন সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নে বর্নিচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বলাৎকার কারী আজাদ মোল্যার (৩৭) বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দিলেও সে নির্দেশ অমান্য করেন প্রধান শিক্ষক। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, প্রধান শিক্ষককের আপন ভাগ্নে ও সভাপতির দলীয় পক্ষের লোক হওয়ায় তারা বলাৎকারের মত একটি ভয়ানক ঘটনা এড়িয়ে যাচ্ছে। তারা আরো বলেন, এতো বড় ঘটনার পর স্কুলে সন্তানদের পাঠাতে দুচিন্তা হচ্ছে। এদিকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে এটিইও মো. আজিজুর রহমান খানকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু আহাদ...
206
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নে বর্নিচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বলাৎকার কারী আজাদ মোল্যার (৩৭) বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দিলেও সে নির্দেশ অমান্য করেন প্রধান শিক্ষক।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, প্রধান শিক্ষককের আপন ভাগ্নে ও সভাপতির দলীয় পক্ষের লোক হওয়ায় তারা বলাৎকারের মত একটি ভয়ানক ঘটনা এড়িয়ে যাচ্ছে।
তারা আরো বলেন, এতো বড় ঘটনার পর স্কুলে সন্তানদের পাঠাতে দুচিন্তা হচ্ছে।
এদিকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে এটিইও মো. আজিজুর রহমান খানকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু আহাদ মিয়া। ওই কমিটিকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কমিটির আরো দুই সদস্য হলো এটিইও টিপু সুলতান, এটিইও শরীফ বসির।
আজিজুর রহমান খান বলেন, প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ম্যানেজিং কমিটির সভা ডেকে তদন্ত কমিটি করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। যদি প্রধান শিক্ষক সে নির্দেশ না মানে তাহলে প্রধান শিক্ষক বিপাদে পড়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, তদন্ত করে যদি দপ্তরিকে দোষী পায় তাহলে তাকে চাকুরীচ্যুত করা হবে। কোন রকম ক্ষমা হবে না।
প্রধান শিক্ষক মো. সানোয়ার করিম বলেন, বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ম্যানেজিং কমিটির সভা ডাকা হয়েছিল। সভায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। সকলে বলে বিভিন্ন পত্রিকায় বা পরস্পর ঘটনা শুনেছি। কিন্তু কোন লিখিত নেই। তাই ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
স্কুলের সভাপতি মো. আনিচুজ্জামানের 01714783686 মোবাইল নাম্বারের ফোন দিলে তিনি রিসিফ না করায় তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভাব হলো না।