1. almoazzintv@gmail.com : Moniruzzaman Monnu : Moniruzzaman Monnu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

মডেল মসজিদের ছাদ ঢালাইয়ে অনিয়ম, ইউএনও’র বাধা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৪৫৪ Time View
210
মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণে দ্বিতীয় তলা ভবনের ছাদ ঢালাইয়ে নিম্নমানের বালু ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে ছাদ ঢালাইয়ের সময় নিম্ন মানের বালু ব্যবহারের বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হলে সরেজমিনে এসে কাজে বাধা দেয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রামানন্দ পাল ও মহম্মদপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আক্তার কাফুর উজ্জল।
তবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বলছেন, নিম্নমানের বালু আলাদা করে রাখা হয়েছে। পরে সরিয়ে ফেলা হবে।
এ ঘটনায় ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এর আগে প্রথম তলা ঢালাইয়ে নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ প্রায় ১ বছর বন্ধের পর পূণরায় শুরু হয়েছে। ২০২০ সালের জুন মাস থেকে শুরু হওয়া নির্মাণকাজের শতকরা ৩০ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। মডেল মসজিদ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ১১ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৩ টাকা। কাজটি করছেন ঝিনাইদহের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএস লিটন ট্রেডার্স। মঙ্গলবার সকালে থেকে ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়। এসময় নির্মাণ কাজে নিম্নমানের ধুলা বালু মিশিয়ে ঢালাই দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। তাঁরা প্রতিবাদ জানিয়ে নির্মাণ কাজে বাঁধা দেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সতত্যা পেয়ে নির্মান কাজ বন্ধ করে দেন ইউএনও রামানন্দ পাল।
গত বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই মসজিদ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে কাজের অগ্রগতি নেই। ৩১ ডিসেম্বরের নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। মসজিদ ভবনের স্থায়িত্ব ও মান, ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই মিয়া বলেন, পূর্বের মসজিদটি ভেঙে অস্থায়ী পুরোনো ভবনে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে অনেক সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু এদের কাজের কোন অগ্রগতি নেই।
মাগুরা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মনিরুজ্জামান বলেন, এর আগে ঠিকাদারের কাজের গাফিলতি ও অনিয়ম নিয়ে আমি গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, মাগুরার জেলা প্রশাসক সহ ইসলামি ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে অবহিত করেছি।
নির্মাণকাজের ঠিকাদার মিজানুর রহমান লিটন বলেন, কোন নিম্ন মাসের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে না। ঢালাইয়ের বালুর পাশে এমনিতে কিছু নিম্ন কাজের বালুর রাখা ছিল। এগুলো সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রামানন্দ পাল বলেন, অনিয়মের অভিযোগ শুনে দ্রুতই ঘটনাস্থলে যায়। কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category