বিষ্ফোরক মামলায় মধুখালী বিএনপির ১৬ নেতা-কর্মী কারাগারে
Reporter Name
Update Time :
বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
৫৪৮
Time View
বিষ্ফোরক মামলায় মধুখালী বিএনপির ১৬ নেতা-কর্মী কারাগারে
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের মধুখালিতে পুলিশের দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিএনপির ১৬ নেতাকর্মীকে কারাগারে প্রেরণ করেছে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর আলী। এসময় মধুখালি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ৫ নেতা-কর্মীর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় এ আদেশ দেন আদালত। কারাগারে পাঠানো হয়েছে যাদের তারা হলেন, মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য জয়দেব রায়, লিয়াকত আলী মাহাবুব তালুকদার, জি.এস শরৎ, কনক হাসান মাসুদ, এস.এম মুক্তার হোসেন, ইয়াসিন মোল্যা, বাবুল কুমার রায়, মিজানুর রহমান, ইকবাল বিশ্বাস, পিযুষ মিত্র, সয়েল আহমেদ, মোঃ রেদোয়ান, মোঃ কামরুল, টারজান মিয়া ও মো. কামাল উদ্দিন। ঘটনার...
260
ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের মধুখালিতে পুলিশের দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিএনপির ১৬ নেতাকর্মীকে কারাগারে প্রেরণ করেছে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর আলী। এসময় মধুখালি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ৫ নেতা-কর্মীর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় এ আদেশ দেন আদালত।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আসামী পক্ষের আইনজীবী গোলাম রব্বানী ভূইয়া রতন বলেন, এ মামলায় এজাহারভুক্ত ২৪ আসামীর মধ্যে ২১ আসামী হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। অন্য ২ আসামী এ মামলায় পূর্বেই আটক আছে। আজ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনে থাকা নেতা-কর্মীরা জামিনের আবেদন করলে অসুস্থ্যতা ও বয়স বিবেচনায় ৫ জনকে জামিন দেন এবং ১৬ জনকে জেলা হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এছাড়া একজন পলাতক রয়েছেন।
এছাড়া আদালত অসুস্থতা ও বয়স বিবেচনায় মধুখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, মিজানুর রহমান মিজান, জাহিদুল ইসলাম মুকুল, আরেফিস সাদ্দাম, ইলিয়াস বিশ্বাস জাপানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
গত ৩১ জুলাই মধুখালী থানার উপ-পরিদর্শক অজয় বালা বাদী হয়ে একটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করেন। ৩১ জুলাই ভোরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগে স্থানীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সহ ২৪ নেতা-কর্মীর নামোল্লেখ করে মামলাটি করা হয়। এ মামলায় আরো ৬০-৭০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়।