ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের পূর্ব ডুমাইন গ্রামের সংখ্যালঘু পাড়ায় ১০ মিনিটের ব্যবধানে ২টি স্থানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সংখ্যাললঘু পরিবারের মধ্যে আতংকের সুষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে প্রথমে তাপস কুমার বিশ্বাস এর বাড়ির কারেন্টের মিটারে আগুন দেয় দুষ্কৃতিকারীরা। এই আগুন লাগার খবর শুনে এলাকাবাসী যখন আগুন নেভানোর ব্যস্ত তখন পার্শ্ববর্তী কুমারেস চন্দ বিশ্বাসের বাড়ির আঙ্গিনায় পাট কাঠির গাদায় আগুন দেয় দুষ্কৃতিকারীরা। তখন এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনসাধারণ মাঠের স্যালো মেশিনে পাইপ লাগিয়ে আপ্রাণ চেষ্টায় পাট কাঠির গাদায় দেয়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। 
তাপস কুমার বিশ্বাস জানান, ২২দিন আগে অর্থাৎ (গত ১২ নভেম্বর ২০২৩) রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে আরেকটি ঘর আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুষ্কৃতিকারীরা। এর ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৩ লক্ষ টাকা। তাপস কুমার বিশ্বাস চাকুরীর কারণে সপরিবারে ঢাকাতে অবস্থান করেন। গ্রামের বসতবাড়িতে গৃহপরিচারিকা হিসেবে শ্রীমতি গোলাপী রানী বিশ্বাস (৬৫) দীর্ঘদিন বসবাস করছেন। গতকাল তিনি বিকেল ৪ ঘটিকার দিকে কালীপূজা দেখার জন্য বাড়ির বাহির হয়। এ সুযোগেই দুষ্কৃতিকারীরা আগুন লাগিয়েছে মনে হচ্ছে।
এই খবর পেয়ে বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মধুখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামনুন আহমেদ অনিক, মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল হক বকুর নেতৃত্বে একটি টিম, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহ্ আসাদুজ্জামান তপন, উপজেলার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুবাস রায়, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামনুন আহমেদ অনিক বলেন, দুষ্কৃতিকারীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে, যারা এর সাথে জড়িত তাদের সকলের আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়াও তিনি বলেন ক্ষতিগ্রস্থ্যদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।
মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। থানায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।