1. almoazzintv@gmail.com : Moniruzzaman Monnu : Moniruzzaman Monnu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

মধুখালীতে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের ৫২তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৪৫৩ Time View
216

 

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :
‘দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অবদান চিরকাল স্মরণ করব এবং তাঁদের স্বপ্নের দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করব’ এ প্রত্যয়কে ধারণ করে পালিত হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফের ৫২তম শাহাদাত বার্ষিকী। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) ফরিদপুরের মধুখালীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সকালে ৮টায় বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কামারখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী রাকিব হোসেন ইরান। বিকালে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ইফতারের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় চেয়ারম্যান চৌধুরী রাকিব হোসেন ইরানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বীরশ্রেষ্ঠর বড় বোন জোহরা বেগম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. লুৎফর রহমান, কামারখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান বাবু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান টার্গেট, বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কার মোল্যা ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। পরে বীরশ্রেষ্ঠর আত্মার শান্তি কামনায় মোনাজাতে ও দোয়া করা হয়। এছাড়া কামারখালী বীরশ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফ ডিগ্রী কলেজ এর পক্ষ থেকে সকালে কোরআন খতম ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

পিতা মুন্সী মেহেদী হাসান মাতা মকিদুননেছার একমাত্র পুত্র সন্তান মুন্সী আব্দুর রউফ ১৯৪৩ সালের ১লা মে বর্তমান মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের রউফনগর (সালামাতপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১১ বছর বয়সে তার পিতৃবিয়োগ ঘটে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি তার উইংয়ে কর্মরত অবস্থায় ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং তিনি মেশিন গানার হিসেবে ৮ নম্বর সেক্টর কমান্ডারের অধীনে রাঙ্গামাটির মহালছড়ি নৌপথ অঞ্চলে বুড়িঘাট নামক স্থানে চিংড়িখালের প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত ছিলেন।

‘৭১-এর ২০ এপ্রিল পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে মুন্সী আব্দুর রউফের মেশিনগানের গুলিতে পাকবাহিনীর দুটি লঞ্চ, একটি স্পিডবোড ডুবে পাকবাহিনীর দুই প্লাটুন সৈন্যের সলিল সমাধি ঘটে। এ সময় হঠাৎ প্রতিপক্ষের নিক্ষিপ্ত মটার সেলের আঘাতে তিনি শহিদ হন। আব্দুর রউফ শহিদ হওয়ার দীর্ঘ ২৫ বছর পর ১৯৯৬ সালে বুড়িঘাট নিবাসী জ্যোতিষ চন্দ্র চাকমা ও দয়াল কৃঞ্চ চাকমার সহায়তায় তার কবর শনাক্ত করতে সক্ষম হন। ১৯৯৭ সালে সেখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
এছাড়া সরকারের উদ্যোগে বীরশ্রেষ্ঠের নামে মধুখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category