1. almoazzintv@gmail.com : Moniruzzaman Monnu : Moniruzzaman Monnu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন

ফরিদপুর ভুবনেশ্বর নদ থেকে মিঠা পানির বিলুপ্ত প্রায় কুমির উদ্ধার

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৪৫৮ Time View
211

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের মিঠাপানির বিলুপ্ত প্রায় একটি কুমির উদ্ধার করেছে বনবিভাগের প্রাণী সম্প্রসারণ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের খুলনা অঞ্চলের একটি উদ্ধারকারী দল। কুমিরটি নিয়ে দুপুরেই উদ্ধারকারী দলটি সড়কপথে সুন্দরবনের করমজল বণ্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রের উদ্দেশে রওনা হয়।
আজ মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গজারিয়ায় ভুবনেশ্বর নদ থেকে কুমিরটি উদ্ধার করা হয়। কুমিরটি প্রায় ৭ ফুট লম্বা।
জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের শিকদার ডাঙ্গী গ্রামের ভুবনেশ্বর নদে প্রথম কুমিরটি দেখা যায়। পরেরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কয়েকবার কুমিরটি ভেসে ওঠে। এতে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আলিয়াবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট নং ওয়ার্ডের সদস্য মো: বকলুকার রহমান জানান, কুমির দেখার খবর পেয়ে থানা ও বন বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকার মানুষকে সাবধান করে। সতর্ক করে বিভিন্ন মসজিদ থেকে মাইকিং-ও করা হয়।
খুলনা থেকে আসা প্রাণী সম্প্রসারণ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের প্রাণী বিশেষজ্ঞ মফিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, কুমিরটি উদ্ধারে গত রোববার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুরের সদর উপজেলার পাটপাশা এলাকায় পরিদর্শনে যায় উদ্ধারকারী একটি দল। তবে সেখানে কুমিরের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে গজারিয়ায় ব্রিজের কাছে ভুবনেশ্বর নদে কুমিরটি দেখতে পেয়ে সেটি উদ্ধার করা হয়।
মফিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, উদ্ধার হওয়া কুমিরটি মিঠা পানির একটি বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির কুমির। প্রায় সাত ফুট লম্বা এটি।
তিনি জানান, কুমিরটি প্রথমে সুন্দরবনের করমজল বণ্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রে নেয়া হবে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করে এ ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২১ সালের ৯ আগস্ট ফরিদপুর সদরের নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নে পদ্মা নদীর সাথে সংযুক্ত একটি খালে মিঠা পানির একটি কুমির পাওয়া ডসয়েছিল। কুমিরটি সাত দিন ধরে ওই জলাধারে অবস্থান করেছিল। পরে সেটিকে ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে পাঠায় প্রাণী সম্প্রসারণ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।
এরপরে গত বছরের আগস্ট মাসে সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের মনসুরাবাদ গ্রামে ভোরবেলা মুরগির ছটফট শব্দ পেয়ে খোপের দিকে এগিয়ে গেলে কুমিরের কামড়ে পায়ে ও হাতে জখম হন একজন।
২০০০ সালে পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনসারভেশন অব নেচার বাংলাদেশে স্থানীয় ভাবে মিঠা পানির কুমির বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category