ফরিদপুরের মধুখালীতে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অবস্থাপনার কারণে এক প্রসূতি মায়ের গর্ভে মারা গেল এক শিশু।
রবিবার ১ নভেম্বর মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে কথিত কবিতা ক্লিনিকে সিজার করতে আসা এক মায়ের গর্ভেই ঐ শিশুর মৃত্যু হয়
সকাল সাতটার দিকে রাজবাড়ী জেলার কোলারহাট গ্রাম থেকে আরিফ পাটোয়ারীর স্ত্রী শান্তা বেগম সিজারের জন্য ওই ক্লিনিকে ভর্তি হয়,
এরপর ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ক্লিনিকের অদক্ষ নার্স ওই রোগীকে ইনজেকশন পুশিং করে, শুরুতে রোগীর অবস্থা ভালো থাকলেও ইনজেকশনের পর রোগীটি আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে পড়ে, বিকালে রোগীর সিজার এর আগে আল্ট্রাস্ন করালে পেটের ভিতরে বাচ্চা মারা গেছে বলে জানান।বিষয়টি জানাজানি হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্লিনিকের সামনে শত শত মানুষ উপস্থিত হয়, এবং উত্তেজনা পরিস্থিতি তৈরি হয়। 
এই ঘটনায় মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুর রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ক্লিনিকের অব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্স না থাকা, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই রোগীকে ইনজেকশন দেয়ার অপরাধে ১৯৮২ সালের মেডিকেল ও বেসরকারি ক্লিনিক ল্যাবরেটরি নিয়ন্ত্রণ আইনে কবিতা ক্লিনিক এর মালিক রাশিদা পারভিন (কবিতা) (৪৪)কে এক মাসের শশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০০ টাকা জরিমানা করেন, সাথে ক্লিনিক টি বন্ধের কার্যক্রমের ঘোষণা দেন, সেই সাথে সকল অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান থাকবে।
তিনি এই অবৈধ ক্লিনিকে ভর্তি সকল রোগীকে দ্রুত সরিয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদানের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগকে নির্দেশ দেন।
শান্তা বেগম এর উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে পাঠানো হয়।